জানলে অবাক হবেন এমন দশটি ভয়ংকর ধর্মীয় অনুষ্ঠান যা নারীদের উপর করা হয়ে থাকে।

আমরা আজ যতই উন্নত হই না কেন পৃথিবীর অনেক প্রান্তে এখন ও অনেক ধর্মীয় প্রথা চালু আছে যা শুনলে আমাদের লোম খাড়া হয়ে যায়। অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলিতে এমনি কিছু রীতি মহিলাদের পালন করতে বাধ্য করা হয়। যেগুলি যথেষ্ট অমানবিক এবং পৈশাচিক। এইসব দেশগুলিতে মহিলাদের সুরক্ষা এখন ও চিন্তার বিষয়।

এমনি দশটি রীতির কথা এখানে তুলে ধরা হল।

 

১.জোর করে ওজন বৃদ্ধি করা

মাওরিতানিয়া নামক জায়গায় মহিলাদের জোর করে বেশী বেশী করে খাওয়ানো হয়ে যাতে তাদের ওজন বৃদ্ধি পায়। কারণ তারা মনে করে অধিক ওজন সমৃদ্ধ মহিলারা পুর রুষদের কাছে বেশী আকর্ষণীয়। এবং তারা এটিও মনে করে বেশী ওজনের মেয়েরা স্বামীর ঘরে সুখ ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করে। তাই যুবতী মেয়েদের বিয়ের আগে জোর করে ১৬০০০ ক্যালোরি খাবার খাওয়ানো হয়ে থাকে।

২. কিশোরীর যৌনাঙ্গ সিল করে দেওয়া

সোমালিয়া ইজিপ্টের মতো কিছু দেশে ছোটো ছোটো মেয়েদের যৌনাঙ্গ সিল করে দেওয়া হয়ে যাতে মেয়েটি বিয়ের আগে তার সতিত্ব হারিয়ে না ফেলে। এই রীতিটি কোনো ডাক্তারের উপস্থিতিতে করা হয়েনা এবং ব্যাথা কমানোর জন্য কোনো অসুধ ব্যাবহৃত হয়েনা। কাজে বোঝাই যাচ্ছে রীতিটি কতটা অমানবিক।

৩. স্তনে লোহার ছেকা

কেমারুন, নাইজিরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার কিছু উপজাতির লোকেরা মেয়েদের স্তনে লোহার ছ্যাঁকা দিয়ে স্তনের বৃদ্ধি রোধ করে থাকে। তাদের বিশ্বাস ছোটো মেয়েদের স্তন ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দিলে দেশে ধর্ষণের সংখ্যা কমে আসবে। তাই তাদের মা বাবারা পাথর, হাতুড়ি এই ধরনের জিনিসকে গরম কয়লায় তাতিয়ে এই ধরনের নিষ্ঠুর কাজটি করে থাকেন যাতে স্তনের কোষগুলি আজীবনের মতো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে।

৪. মহিলাদের অপহরণ

অপহরণ বিশ্বের বেয়াইনি কাজ হলেও রোমানিরা তাদের বিয়ের ক্ষেত্রে এই রীতিটি পালন করে থাকে। যদি কোনো ব্যক্তি কোনো মহিলাকে ৩ থেকে ৫ দিনের বেশী অপহরণ করে নিজের কাছে রাখতে পারে তাহলে ঐ ব্যক্তি ঐ মহিলাকে বিয়ে করার অনুমতি পায়।

৫. জোর করে কাঁদানো

দক্ষিন – পশ্চিম চীনের সিঞ্চুয়ান প্রদেশের লোকেরা জু তাঙ নামে এক অদ্ভুত রীতি পালন করে। এই রীতি অনুসারে হবু কনে কে বিয়ের এক মাষ আগে থেকে জোর করে কাঁদানো হয়ে। কনে কাঁদতে রাজি না হলে কনের মা তাকে মার ধর করে কঁাদায়।

৬. নগ্ন করে মারধর

ব্রাজিলের উপেস উপজাতির লোকেরা মহিলাদের নগ্ন করে রাস্তায় ফেলে মারধর করে যতক্ষন পর্যন্ত তারা অজ্ঞান না হয়ে যায়। এই অত্যাচারের পরে যদি সেই মেয়ে উঠে দাঁড়ায় তাহলে তাকে বিবাহযোগ্য বলে গণ্য করা হয়ে।

৭. বাটালি দিয়ে দাঁত কাটা

সুমাত্রার মেন্টাওয়াই উপজাতির মানুষেরা মনে করে সূচালো দাঁতের মহিলারা অধিক আকর্ষণীয় হয়। তাই তারা স্থানীয় ওঝা র মাধ্যমে ব্লেড দিয়ে মহিলাদের দাঁত কাটে। যা খুবই নিষ্ঠুর এবং বেদনাদায়ক।

৮. জোর করে ট্যাটু করানো

আমাদের দেশে ট্যাটু করা ফ্যাশন হলেও ব্রাজিল ও পারাগুয়ের মহিলাদের জোর করে সারা গায়ে বিশেষত পেট, স্তন ও পিঠে জোর করে ট্যাটু করানো হয়ে যাতে তারা পুরুষের চোখে আরো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

৯. গলায় রিং বাধা

থাইল্যান্ডের কারেন উপজাতির মেয়েরা মনে করে লম্বা গলা সৌন্দর্জের প্রতিক। তাই তারা পাঁচ বছর বয়স থেকে গলায় রিং পরতে থাকে। প্রতি বছর একটি করে রিং বাড়তে থাকে।

১০.জোর করে নাড়ি খাওয়ানো

চীনের কিছু উপজাতির মহিলারা বাচ্চার জন্মের পর নিজেদের নাড়ি খেয়ে থাকে বলে শোনা যায়।কারণ এগুলি নাকি খুবই পুষ্টিকর। কিন্তু জোর করে এগুলি খাওয়ানো খুবই অমানবিক বলে মনে হয়ে।

Tags:

or

Log in with your credentials

Forgot your details?